আজকের আলোচনার বিষয়ঃ পরিসংখ্যান গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণের প্রকারভেদ। যা টেক্সটাইল টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ৩ এর স্ট্যাটিসটিক্যাল কোয়ালিটি কন্ট্রোল এর অন্তর্গত।

পরিসংখ্যান গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণের প্রকারভেদ (Types of statistical quality control)
গাণিতিক সম্ভাবনা তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে পরিসংখ্যান পদ্ধতি গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ সমস্যাগুলোতে ব্যবহার করার কৌশলকেই পরিসংখ্যানগত গুণা গুণ নিয়ন্ত্রণ বলে।
পরিসংখ্যান পদ্ধতিকে যখন দ্রব্যের গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োগ করা হয়, তখন তাকে পরিসংখ্যান গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ বলে। অর্থাৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে পরিসংখ্যান টুলস (Statistical tools) এর প্রয়োগ প্রক্রিয়াকেই পরিসংখ্যান মান বা গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ বলে।

পরিসংখ্যান পদ্ধতিকে যখন দ্রব্যের গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োগ করা হয় তখন তাকে পরিসংখ্যান গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ বলা হয়। অর্থাৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে পরিসংখ্যান টুলস্ (Statistical tools) এর প্রয়োগ প্রক্রিয়াকেই পরিসংখ্যান মান বা গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ বলা হয়। যা সাধারণত গাণিতিক সম্ভাবনা তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ সমস্যাগুলোতে ব্যবহার করার কৌশল মাত্র।
পরিসংখ্যান গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এই যে, এর দ্বারা প্রতিরোধযোগ্য তারতম্য হতে অনুমোদনযোগ্য তারতম্যকে পৃথক করা যায় এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রতিরোধযোগ্য তারতম্যের কারণ দেখা দিলে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া যায়। অর্থাৎ পরিসংখ্যান গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে বিভিন্ন প্রকার উপাত্ত বিশ্লেষণ (Data analysis) করে দ্রব্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এর সাহায্যে দ্রব্যের বাতিলের পরিমাণ ও পরিদর্শনের পরিমাণ কমানো যায় ।

পরিসংখ্যান গুণা গুণ নিয়ন্ত্রণ নিম্নলিখিত কয়েক প্রকারের হতে পারে ঃ
১। স্যাম্পলিং টেকনিক (Sampling technique)
২। পরিমিত ব্যবধান বা ব্যবধানাঙ্ক (Standard deviation or co-efficient of variation)
৩। টেস্ট অব সিগনিফিকেন্স (Test of significance
৪। কোরিলেশন (Correlation)
৫। কন্ট্রোল চার্ট (Control chart)
৬। রিগ্রেশন (Regression)
৭। ভেরিয়্যান্স অ্যানালাইসিস (Variance analysis)।