আজকের আলোচনার বিষয়ঃ কন্ট্রোল চার্ট তৈরি । যা টেক্সটাইল টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ৩ এর স্ট্যাটিসটিক্যাল কোয়ালিটি কন্ট্রোল এর অন্তর্গত।

কন্ট্রোল চার্ট তৈরি (Construction of control chart)
যে কোন ধরনের কন্ট্রোল চার্ট গঠন করার জন্য তার উপাত্ত বা ডাটা প্রয়োজন। এর এ উপাত্তের জন্য সমগ্রক বা তথ্যবিশ্ব হতে নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজন এবং পরবর্তীতে ডাটাগুলো সাবগ্রুপে ভাগ করা হয় ।
নমুনায়ন (Sampling) :
যে কোন প্রসেসের নমুনা ঐ প্রসেসের প্রতিনিধিত্ব করে। আর এ নমুনাকে নমুনায়ন পদ্ধতিতে তথ্যবিশ্ব বা পপুলেশন হতে সংগ্রহ করা হয়। নমুনায়নের সময় দ্রব্যের ধরন প্রক্রিয়াকরণের পদ্ধতি এবং কী ধরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করা হয়। ভিন্ন ভিন্ন মানের দ্রব্যের জন্য আলাদা আলাদাভাবে নমুনায়ন করা প্রয়োজন এবং এতে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও অন্যান্য বিষয়গুলোও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন ।

নমুনা সংগ্রহে অবশ্যই দৈব নমুনায়ন (Random sampling) পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। পক্ষপাতদুষ্ট নমুনায়ন (Biased sampling) পদ্ধতিতে নমুনা গ্রহণ করা হলে প্রাপ্ত উপাত্ত পপুলেশনের সঠিক প্রতিনিধিত্ব করবে না ।
অনেক সময়ের ব্যবধানে বড় আকারের নমুনা গ্রহণ করার চেয়ে পুনঃপুন ছোট আকারের নমুনা সংগ্রহ করা ভালো। বড় আকারের নমুনা দ্বারা অনেক সময় সঠিকভাবে গুণাগুণের তারতম্য নির্ণয় করা যায় না। অপরদিকে, ছোট আকারের নমুনা দ্বারা কোথায় কখন বা কোন মেশিন হতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তার গুণাগুণের তারতম্য কেমন ইত্যাদি নির্দিষ্ট করে জানা যায়।

উপাত্তকে যুক্তিসংগতভাবে সাবগ্রুপে বিভক্তঃ
যে কোন কন্ট্রোল চার্ট সঠিকভাবে গঠন করার জন্য প্রাপ্ত ডাটাগুলোকে কতকগুলো সাবগ্রুপে এমনভাবে বিভক্ত করা হয় যাতে সাবগ্রুপের অভ্যন্তরে ডাটাগুলো কেবলমাত্র প্রতিরোধযোগ্য তারতম্যের কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয় বা প্রতিরোধযোগ্য কোন তারতম্য এর মধ্যে থাকলে তা যেন গোপন না থাকে। পরিসংখ্যানীয়ভাবে বা গাণিতিকভাবে সঠিক করে সাবগ্রুপ নির্ণয় করা যায় না এটি শুধুমাত্র প্রকৌশলগত বিচারবুদ্ধি বা কারিগরি জ্ঞান দ্বারা করা হয়ে থাকে।