গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ কৌশল

আজকে আমরা আলোচনা করবো গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ কৌশল। যা টেক্সটাইল টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ৩ এর স্ট্যাটিসটিক্যাল কোয়ালিটি কন্ট্রোল এর অন্তর্গত।

 

গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ কৌশল

 

গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ কৌশল (Technique of quality control)

গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ বা কোয়ালিটি কন্ট্রোল হল সবচেয়ে কম খরচে ক্রেতা বা ব্যবহারকারীর যথেষ্ট সন্তুষ্টি বিধান করে উৎপন্ন পণ্যের মাননিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত সকল কলাকৌশল এবং পদ্ধতির সংমিশ্রণ।

সাধারণত উৎপাদন কারখানায় গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ কৌশলগুলো দুই শাখায় বিভক্ত। যথা-

১। পরিদর্শনগত গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ (Inspection quality control)

২। পরিসংখ্যানগত গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ (Statistical quality control)

 

গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ কৌশল

 

পরিদর্শনগত গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ (Inspection quality control)

পরিদর্শন পরিমাপের সাহায্যে নির্ধারিত বিবরণের সাথে উৎপাদিত দ্রব্যের গুণাগুণ তুলনা করে দ্রব্যের গ্রহণীয়তার রায় প্রদান করে। এ গুণাগুণের তুলনায় কোন দ্রব্যগুলো গ্রহণযোগ্য বা কোনগুলো গ্রহণযোগ্য নয় তা নির্ধারণ করে দেয়। একটি সুপরিকল্পিত পরিদর্শনের জন্য অবশ্যই নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হয়।

১। কোথায় পরিদর্শন করা হবে

২। কত পরিমাণ পরিদর্শন করা হবে।

৩। কে পরিদর্শন করবে এবং

৪। পরিদর্শন ব্যয় ও তার নিয়ন্ত্রণ ।

 

গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণ কৌশল

 

১। কোথায় পরিদর্শন করা হবে এ বিষয় বিবেচনা করতে হবে-

(ক) উৎপাদনের সাহায্যার্থে কারখানায় গৃহীত কাঁচামাল

(খ) চলতি প্রক্রিয়া পরিদর্শন

(গ) সর্বশেষ পরিদর্শন ও

(ঘ) যন্ত্রপাতি পরিদর্শন।

 

২। পরিদর্শনের পরিমাণ অবশ্যই পূর্বেই নির্ধারণ করতে হবে যে, ১০০% পরিদর্শন করা হবে নাকি নমুনা করে পরিদর্শন করা হবে। নমুনায়ন নীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।এতে পরিদর্শন ব্যয় হ্রাস করে এবং পরিদর্শনের নির্ভুলতা নিশ্চিত করে।

৩। যে ব্যক্তি পরিদর্শন করবেন তাকে উক্ত বিষয়ের উপর যথেষ্ট কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন হতে হবে।

৪। পরিদর্শন কোন দ্রব্যের মান উন্নত করে না। পরিদর্শনে শুধুমাত্র ভালো এবং খারাপ দ্রব্য সম্বন্ধে রায় প্রদান করে ৷ তাই পরিদর্শন ব্যয়ের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment