মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং-এর লক্ষণীয় বিষয়

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়-মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং-এর লক্ষণীয় বিষয়

মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং-এর লক্ষণীয় বিষয় (Factors of Mixing and Blending) :

মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি রাখতে হবে। আঁশের দৈর্ঘ্যের সমতা বা সাদৃশ্যতা।

১।আঁশের দৈর্ঘ্যের সমতা বা সাদৃশ্যতা

২। সমনমনীয়তার আঁশ

৩। বায়ুমণ্ডলের অবস্থা।

৪।আঁশের শক্তি।

৫। আঁশের রঙের সমতা ।

৬।আঁশের পরিপক্বতা।

৭।। দক্ষ শ্রমশক্তি।

৮। ভালো যন্ত্রপাতি ।

৯ । সম সূক্ষ্মতা

১। আঁশের দৈর্ঘ্যের সমতা বা সাদৃশ্যতা ঃ

যে বিভিন্ন প্রকারের বা বিভিন্ন গ্রেডের আঁশকে মিশ্রিত করতে হবে, উক্ত আঁশের সমতা থাকবে হবে। অন্যথায় আঁশের অপচয় বিশেষ করে কম্বিং বিভাগে নয়েলের হার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ ছাড়াও ড্রইং সিমপ্লেক্স ও রিং ফ্রেমের ড্রাফটিং এর সময় অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ আঁশসমূহ ছিঁড়ে যেতে পারে এবং ড্রাফটিং ওয়েভও হতে পারে ।

মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং-এর লক্ষণীয় বিষয়

 

2। আঁশের শক্তি ঃ

যে-সব আঁশকে মিশ্রিত করতে হবে, সে-সব আঁশের শক্তি সমতা অবশ্যই থাকতে হবে। যদি শক্তির সমতা বা সাদৃশ্যতা না থাকে তাহলে উৎপাদিত সুতার শক্তিও তুলনামূলক কম হবে এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় রিং ফ্রেমে সুতা ছেঁড়ার হার বৃদ্ধি পাবে এবং সুতার অসমতা, মোটা-চিকন ইত্যাদি ত্রুটি বৃদ্ধি পাবে।

৩। আঁশের রঙের সমতা ঃ

বিভিন্ন এলাকা বা দেশের আঁশের রং বিভিন্ন প্রকার বা বিভিন্ন গ্রেডের হয়ে থাকে। আঁশ মিশ্রিত করার পূর্বে রঙের সমতা সম্বন্ধে পূর্বেই নিশ্চিত হতে হবে। আঁশে রঙের বিভিন্নতা একই সুতায় ভালো ফল পাওয়া যাবে না। ডাইং প্রিন্টিং ও ফিনিশিং প্রক্রিয়ায় ভালো ফল পাওয়া যাবে না। ডাইং ও প্রিন্টিং প্রক্রিয়ায় শেডের অসমতার সৃষ্টি হবে।

 

81 আঁশের পরিপক্বতা ঃ

মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং করার জন্য যে-সব আঁশ ব্যবহৃত হয় তা ভালোভাবে পারপর উচিত। নতুবা রোরুম ও কার্ডিং মেশিনে আঁশের নেপ বা গুটি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শক্তি কম থাকায় উৎপাদিত সুতার শক্তি কম হবে এবং আঁশ/স্লাইভার/সুতা অপচয় বেশি হবে। সুতা হবে ইত্যাদি কারণে উৎপাদিত সুতার মান খারাপ ও উৎপাদন খরচ বেশি হবে।

 

মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং-এর লক্ষণীয় বিষয়

 

৫।সম সূক্ষ্মতা ঃ

উৎপাদিত সুতার মান ভালো পেতে হলে মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং এর পূর্বে সম সূক্ষ্মের আশ অপরিপা আদ্বারা নিি করা উচিত। আঁশ মোটা-চিকন হলে উৎপাদিত সুতার মান ভালো হবে না ।

 ৬।সমনমনীয়তার আঁশঃ

নমনীয় আঁশ স্পিনিং করা সহজ। সুতা পাকানোর জন্য আঁশের নমনীয়তা মিক্সিং-ব্লেন্ডিং করার পূর্বে আঁশের সমনমনীয়তা বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে। উন্নতমানের প্রয়োজন হলে সমনমনীয় সম্পন্ন আঁশ দ্বারা মিক্সিং করা উচিত।

৭। বায়ুমণ্ডলের অবস্থা ঃ

যে কক্ষের মধ্যে মিক্সিং-ব্লেন্ডিং করা হয় সে কক্ষের  বায়ুমণ্ডলের অবস্থা  যতটুকু না হয়। সুতা পে অপরিবর্তনীয় রাখার চেষ্টা করতে হবে।

৮।দক্ষ শ্রমশক্তি ঃ 

উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন মানের ও বিভিন্ন গ্রেডের আঁশসমূহকে পুরোপুরি দক্ষতার সা
চালনার জন্য দক্ষ শ্রমশক্তির প্রয়োজন ।

 

মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং-এর লক্ষণীয় বিষয়

 

 ৯। ভালো যন্ত্রপাতি ঃ

মিক্সিং প্রক্রিয়ায় যে-সব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় ঐ সবের ভালো কার্যক্ষমতার ভালো মিশ্রণ নির্ভর করে । কাজেই প্রক্রিয়াগত মেশিনসমূহের ভালো কার্যক্ষমতা থাকতে হবে ।

Leave a Comment