মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং এর ত্রুটি

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়-মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং এর ত্রুটি

মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং এর ত্রুটি (Faults in Mixing and Blending)

মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং-এ সাধারণত নিম্নলিখিত ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়—

১।অসম দৈর্ঘ্যের আঁশ (Uneven Staple Length)

২। অসম রং (Uneven Colour)

৩। ট্রাশের অসম মিক্সিং (Uneven Mixing of Trash)

৪। অসম মাইক্রোনিয়ার ভ্যালু (Unequal Micronaire Value

 

মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং-এর ত্রুটি

 

১) অসম দৈর্ঘ্যের আঁশ (Uneven Staple Length) :

যে-সব আঁশ মিক্সিং করা হবে, সে-সব আঁশের দৈর্ঘ্য সম্বন্ধে পূর্ব থেকেই নিশ্চিত হতে হবে। নতুবা অসম দৈর্ঘ্যের আঁশ একত্রে মিক্সিং করলে পরবর্তী প্রক্রিয়ায় মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি হতে পারে। আঁশের দৈর্ঘ্য অসমান হলে আঁশ প্রক্রিয়াকরণের সময় নেপ সৃষ্টি, আঁশ ছিঁড়ে যাওয়া, ওয়েস্টেজ বৃদ্ধি সর্বোপরি উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পায়।

২। . অসম রং (Uneven Colour) :

মিক্সিং এর পূর্বে আঁশে রঙের অসমতা দূর করতে হবে। রঙের অসমতা দূর করার লক্ষ্যে আলট্রাভায়োলেট রশ্মি দ্বারা কালার শনাক্ত করে নিতে হবে। বিভিন্ন কালারের আঁশের মিশ্রণের ফলে তৈরিকৃত সুতা পরবর্তীতে ডাইং ও প্রিন্টিং এ শেড ভ্যারিয়েশনের সৃষ্টি করে।

 

মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং-এর ত্রুটি

 

৩। ট্রাশের অসম মিক্সিং (Uneven Mixing of Trash) :

মিক্সিং করার পূর্বে বিভিন্ন প্রকার বা গ্রেডের আঁশের
ট্রাশের পরিমাণ সুষম হতে হবে, নতুবা প্রক্রিয়াকরণের সময় একদিকে যেমন সম্পূর্ণ ট্রাশ দূর হয় না তেমনি
পাশপাশি ট্রাশের সাথে ভালো আঁশও দূর হয়।

 

৪।অসম মাইক্রোনিয়ার ভ্যালু (Unequal Micronaire Value) :

মাইক্রোনিয়ার ভ্যালু অসমান থাকার অর্থ পরিপক্ক, অপরিপক্ব ও মৃত আঁশের পরিমাণ কমবেশি থাকা। ভালো আঁশের সাথে খারাপ আঁশ মিশ্রিত করলে নেপ, নয়েল ইত্যাদি বৃদ্ধি পায় পাশাপাশি উৎপাদন খরচও বৃদ্ধি পায়।

 

মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং-এর ত্রুটি

 

Leave a Comment