১০*১০ ঘরের পয়েন্টেড ডায়মন্ড ডিজাইন | Fabric Structure & Analysis 2

১০*১০ ঘরের পয়েন্টেড ডায়মন্ড ডিজাইন ক্লাসটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের, ভোকেশনাল শিক্ষার,ফেব্রিক স্ট্রাকচার এন্ড এনালাইসিস-২ (১৯৬৫)।

 

১০*১০ ঘরের পয়েন্টেড ডায়মন্ড ডিজাইন

 

ডায়মন্ড ডিজাইন কি?

এই ডিজাইন দেখতে অনেকটা রুহিতনের (→) মত৷ ইংরেজিতে এর নাম ডায়মন্ড (Diamond)৷ পয়েন্টেড নীতির উপর ভিত্তি করে অনুভূমিক ও উল্লম্ব জিগজ্যাগ টুইলের সংমিশ্রণের ফলে যে ডিজাইন গঠিত হয় তাকে ডায়মন্ড ডিজাইন বলে৷

সাধারণত এর রিপিটের আকার টানা ও পড়েন সুতার সংখ্যা উভয়ই মূল টুইল উইভের দ্বিগুণ হয়৷

ডায়মন্ড ডিজাইনের বৈশিষ্ট্য?

  • সাধারণত ডায়মন্ড ডিজাইনের টানা ও পড়েন সমান থাকে৷
  • বিকল্প পদ্ধতি সমান সংখ্যক টানা ও পড়েন নিয়ে মাঝামাঝি অবস্থানে ডায়মন্ড বেইস নির্দিষ্ট করে কেন্দ্রীয় সুতার চারদিকে সিমেট্রিক্যাল (Symetrical) ডিজাইন তৈরি করতে হবে৷
  • একটা ক্রমাগত টুইলের কোণাকুণি রেখাকে উল্টো করলে জিগজ্যাগ টুইল গঠিত হয় এবং গঠিত জিগজ্যাগ টুইলকে পিনরায় উল্টো (Reverse) করলে ডায়মন্ড টিইল গঠিত হয়৷
  • ক্ষুদ্রতম ডায়মন্ড ডিজাইন (৪×৪)৷
  • ড্রাফটিং সাধারণত পয়েন্টেড৷

 

 

ডায়মন্ড ডিজাইন কত প্রকার?

ডিজাইন অনুযায়ী ডায়মন্ড দুই আকারের হয়ে থাকেঃ

  • পয়েন্টেড ডায়মন্ড (Pointed Diamond)
  • ফ্লাট পয়েন্টেড ডায়মন্ড (Flat poinited Diamond)
পয়েন্টেড ডায়মন্ড কি?

বেজোড় সংখ্যক টানা ও পড়েন সুতা নিয়ে মাঝামাঝি অবস্থান ডায়মন্ড নির্দিষ্ট করে কেন্দ্রীয় সুতার চারদিকে সিমেট্রিক্যাল ডিজাইন তৈরি করাকে পয়েন্টেড ডায়মন্ড বলে৷ পয়েন্টড ডায়মন্ড এর ড্রাফটিং ও পয়েন্টড হয়ে থাকে৷

 

ফ্লাট পয়েন্টেড ডায়মন্ড কি?

জোড় সংখ্যক সুতার ডায়মন্ড এর রিপিট সাইজকে সমান চার ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগের মধ্যে মূল টুইলের দিক পরিবর্তন করে ডে ডায়মন্ড ডিজাইন তৈরি হয় তাকে ফ্লাট পয়েন্টেড বলে৷

আর এই ডিজাইনের প্রতিটি টুইল লাইনের দিক পরিবর্তনের বিন্দুতে কোণ (Angle) সৃষ্টি করে এবং বিপরীত লাইনগুলো পরস্পর সমান্তরাল হয়৷
বিটিং আপ মেকানিজম

১০*১০ ঘরের পয়েন্টেড ডায়মন্ড ডিজাইন নিয়ে বিস্তারিত ঃ

 

Leave a Comment