আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়-র্যাপিয়ার লুমের মৌলিক কার্যপ্রণালি
র্যাপিয়ার লুমের মৌলিক কার্যপ্রণালি (Basic working principle of rapier loom)
র্যাপিয়ার লুমের জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্যপ্রণালি গড়ে ওঠেছে। যেমন—
(ক) দেওয়াস সিস্টেম (Dewas system)
(খ) গ্যাবলার সিস্টেম (Gabler system)
(গ) ইউয়ার সিস্টেম (Iwer system)। আধুনিক উইভিং মেশিনগুলোর মধ্যে দেওয়াস সিস্টেমই সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। এ দেওয়াস সিস্টেমে র্যাপিয়ার লিমের কার্যপ্রণালি নিচে আলোচনা করা হলো-

প্রথমে পড়েন সুতাকে ববিন থেকে খুলে প্রি ওয়াইন্ডার বা অ্যাকুমুলেটরের মধ্যে জড়ানো হয়। এখানে থেকে সুতাকে একটি ইয়ার্ন ব্রেক এবং কালার প্রজেক্ট ডিভাইসের চক্ষুর মধ্যে দিয়ে চালনা করা হয়। প্রত্যেক প্রকার পড়েন সুতার জন্য কমপক্ষে একটি ওয়েফট ববিন প্রি ওয়াইন্ডার, ইয়ার্ন ব্রেক এবং কালার প্রজেক্ট ডিভাইসের সমন্বয়ে গঠিত একটি সেট থাকতে হবে।
কোন রঙের পড়েন সুতা গিভারকে দেওয়া হবে অর্থাৎ পিক করা হবে তা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় কালার প্রোজেক্টিং ডিভাইসের দ্বারা শেডিং ম্যাকানিজম বা মাইক্রো প্রেসেসর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত করা হয়।
এখানে যে দুটি র্যাপিয়ার ব্যবহার করা হয়। তাদের একটি বলা হয় গিভার এবং অপরটিকে বলা হয় টেকার। গিভার থাকে ফিড সাইডে এবং টেকার থাকে বিপরীত পার্শ্বে।

গিভার উপস্থাপিত পড়েন সুতার প্রান্তকে ধরে কাপড়ের মাঝখানে দিয়ে চলে আসে এবং এখানে চেকারকে পড়েন সুতা দিয়ে চেকার লুমের বাকি অংশে শেডের মধ্যে দিয়ে পড়েন সুতাকে বহন করে। এই সাথে গিভার তার পূর্বের অবস্থান ফিরে পায়। এ দেওয়াস পদ্ধতিতে পড়েন সুতার স্পিড সর্বদা ব্যাপিয়ারের স্পিডের সমান হয়ে থাকে।

সুতার পাকের কোনো পরিবর্তন হয় না। প্রকৃতপক্ষে এখানে বাস্তব কোন পাড় তৈরি হয় না। তাই অবশ্যই সাহায্যকারী পাড় ব্যবহার করা হয়। যখন র্যাপিয়ার দুটি শেডের মধ্যে বের হয়ে আসে তখন তারা খুলে রাশিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য ধরনের ময়লা বের হয়ে যায়। এভাবে র্যাপিয়ার লুমের সাহায্যে বিভিন্ন নকশার কাপড় তৈরি করা যায়।