প্যান্টের মাপ নেওয়ার পদ্ধতি আলোচনা | Clothing 1 (1954)

প্যান্টের মাপ নেওয়ার পদ্ধতি আলোচনা ক্লাসটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের, ভোকেশনাল শিক্ষার,ক্লোদিং-২ (১৯৬২)।

 

প্যান্টের মাপ নেওয়ার পদ্ধতি আলোচনা

 

ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে সবাই কমবেশি জিন্স পরতে পছন্দ করেন। তবে তার জন্য জিন্স প্যান্টের মাপ ঠিকঠাক হতে হয়। তা না হলে পড়তে হয় বিপদে। তাই কেনার আগে পছন্দের প্যান্টটি পরে দেখে নেওয়া খুবই জরুরি। কিন্তু অনেক সময় বাজারে বা ফুটপাত থেকে জিন্স কিনতে গেলে তা পরে দেখার সুযোগ থাকে না। অনেক সময় সুযোগ থাকলেও অস্বস্তি লাগে পরতে। তাদের জন্য পোশাক বিশেষজ্ঞদের দেওয়া কিছু টিপস রয়েছে। পোশাক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু সহজ উপায় জানা থাকলে, না পরেও বুঝে নেওয়া যেতে পারে জিন্স মাপ মতো হবে কি না।

 

প্যান্টের মাপ

 

১. জিন্সটির বোতাম লাগিয়ে কোমরের অংশটি ধরে সামনে কিংবা পিছন থেকে হারের মতো করে গলায় পেঁচানোর চেষ্টা করুন। যদি প্যান্টের কোমরের দুই প্রান্ত স্পর্শ করে, তবে বুঝবেন কোমরের মাপ ঠিকঠাক রয়েছে। তবে শুধু সাধারণ জিন্সের ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য। ‘লো’ অথবা ‘হাই ওয়েস্ট’ জিন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
 
২. হাত মুঠো করুন, তারপর দেখুন কনুই থেকে মুঠো পর্যন্ত প্যান্টের কোমরে ঢুকছে কি না। একদম মাপে মাপে মিলে গেলে বুঝবেন কোমরের মাপ মতো হয়েছে প্যান্ট।
৩. নিতম্বের অংশটি ঠিকঠাক হবে কি না বুঝতে, মেপে দেখুন আপনার দুই কাঁধের দৈর্ঘ্য। সাধারণত কাঁধের দুই প্রান্তের দূরত্ব নিতম্বের পরিধির সমান হয়।
৪. লম্বায় ঠিকঠাক হবে কি না বুঝতে, প্যান্টটির দু’পায়ের প্রান্ত দুই হাতে ধরে ডানা মেলার ভঙ্গিতে হাত ছড়িয়ে দিন। প্যান্টের মধ্য বিন্দু যদি থুতনির ঠিক নীচে থাকে, তবে বুঝতে হবে লম্বায় একদম মাপ মতো হবে প্যান্ট। 
৫. প্যান্টে পা ঠিকমতো ঢুকবে কি না, তা বুঝতে হাত মুঠো করে গলিয়ে দিন 
বিটিং আপ মেকানিজম
প্যান্টের মাপ নেওয়ার পদ্ধতি আলোচনা নিয়ে বিস্তারিত ঃ

Leave a Comment