কাপড়ের আকৃতিগত পরীক্ষার অনুশীলনী

আজকে আমরা কাপড়ের আকৃতিগত পরীক্ষার অনুশীলনী সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা টেক্সটাইল টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ৩ এর কাপড়ের আকৃতিগত পরীক্ষার এর অন্তর্গত।

 

কাপড়ের আকৃতিগত পরীক্ষার অনুশীলনী

 

কাপড়ের আকৃতিগত পরীক্ষার অনুশীলনী

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর:

১। কোন কাপড় পরীক্ষার ক্ষেত্রে আদর্শ আবহাওয়া বাধ্যতামূলক?

উত্তরঃ উলেন কাপড় পরীক্ষার ক্ষেত্রে আদর্শ আবহাওয়া বাধ্যতামূলক।

২। পরীক্ষার পূর্বে কাপড়কে কী করে নিতে হয়?

উত্তরঃ পরীক্ষার পূর্বে কাপড়কে কন্ডিশনিং করে নিতে হয়।

৩।  প্রথম মাপের চেয়ে ২য় মাপ কত কম হলে তাকে সঠিক ধরা হয়?

উত্তরঃ প্রথম মাপের চেয়ে ২য় মাপ ০.২৫% কম হলে তাকে সঠিক ধরা হয়।

৪। মেজারিং মেশিনের অপর নাম কী?

উত্তরঃ মেজারিং মেশিনের অপর নাম টুমিটার (Trumeter).

৫। কাপড়ে গ্রন্থ পরিমাপের ক্ষেত্রে ১৮ ইঞ্চি এর অধিক বহরের কাপড়ের ক্ষেত্রে কত অ্যালাউন্স ধরা হয়?

উত্তরঃ কাপড়ে গ্রন্থ পরিমাপের ক্ষেত্রে ১৮ ইঞ্চি এর অধিক বহরের কাপড়ের ক্ষেত্রে অ্যালাউন্স ০.১ ইঞ্চি ধরা হ

৬। মেজারিং স্কেল দ্বারা কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপের ক্ষেত্রে টেবিলের দৈর্ঘ্য কত থাকে?

উত্তরঃ মেজারিং ফেল যারা কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাণের ক্ষেত্রে টেবিলের দৈর্ঘ্য ৫ মিটারের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকে।

 

কাপড়ের আকৃতিগত পরীক্ষার অনুশীলনী

 

৭। প্রতি একক ক্ষেত্রের ওজন (গ্রাম/মিটার) সমান কত?

উত্তরঃ প্রতি একক ক্ষেত্রের ওজন (মাম/মিটার) সমান ৩৩,৯০৬ আউন্স /বাণিজ

৮। প্রতি একক দৈর্ঘ্যের ওজন (গ্রাম / মিটার) সমান কত?

উত্তরঃ প্রতি একক দৈর্ঘ্যের ওয়ান (গ্রাম/মিটার) সমান ৩১০০x আউ

৯। কাপড়ের দৈর্ঘ্য নির্ণয় করতে পাড়ের মাঝে করা গজ পর পর চিহ্নিত করা হয়।

উত্তরঃ কাপড়ের দৈর্ঘ্য নির্ণয় করতে পাড়ের মাঝে ৫ গজ পর পর চিহ্নিত করা হয়।

 

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর :

১। কী কী বিষয় কাপড়ের আকৃতিগত বৈশিষ্ট্যের উপর প্রভাব বিস্তার করে ?

উত্তরঃ কাপড় প্রস্তুতকরণের সময় সেটা প্রসারিত হওয়া এবং পরিমাপের সময় এতে পানির পরিমাণ ইত্যাদি।

২। কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপের কয়টি পদ্ধতি ও কী কী?

উত্তরঃ  তিনটি পদ্ধতি, যথা-

i) মেজারিং টেবিল দ্বারা

(ii) মেজারিং মেশিন দ্বারা,

(iii) মেজারিং স্কেল দ্বারা

৩। মেজারিং মেশিন দ্বারা কী কী ভাবে কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা হয়।

উত্তরঃ  1) ড্রাম মেথড

ii) ফোল্ডিং মেথড এবং

iii) ক্লাক মেঘড ।

 

কাপড়ের আকৃতিগত পরীক্ষার অনুশীলনী

 

৪। কাপড়ের ওজন কয়ভাবে প্রকাশ করা যায় ও কী কী?

উত্তরঃদুইভাবে প্রকাশ করা যায়, যথা-

i) প্রতি একক ক্ষেত্রের এবং

ii) প্রতি একক দৈর্ঘ্যের ওজন।

৫। কাপড়ের দৈর্ঘ্য বলতে কী বুঝায়?

উত্তরঃ কাপড়ের দৈর্ঘ্য বলতে এর পাড় বরাবর একপ্রাপ্ত হতে অন্য প্রান্তের দূরত্বকে বুঝায়।

৬। কাপড়ের গ্রন্থ বলতে কী বুঝায়?

উত্তরঃ কাপড়ের গ্রন্থ বলতে এর এক পাশের পাড়ের বাহিরের দিক হতে অন্য পাশের পাড়ের বাহিরের দিকের দূরত্ব বুঝায়।

৭। কাপড়ের ওজন পরিমাপের জন্য কী কী যন্ত্রপাতি প্রয়োজন?

উত্তরঃ কাপড়ের ওজন পরিমাপের জন্য নিম্নলিখিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়

i) টেমপ্লেট,

(ii) ব্যালেন্স,

iii) সিজার এবং

(iv) মার্কিং পেন্সিল ।

৮। কাপড়ের ওজন বলতে কী বুঝায়?

উত্তরঃ কাপড়ের ওয়ান বলতে এর প্রতি একক ক্ষেত্রের ওজন বুঝায়।

৯। কাপড়ের একক ক্ষেত্রের ওজন কীভাবে বের করবে?

উত্তরঃ কাপড়ের প্রতি একক ক্ষেত্রের ওজন নিচের সূত্রের সাহায্যে বের করা যায়-

৫৭৬ × M/LW

প্রতি একক দৈর্ঘ্যের ওজন = ১৬ × আউন্স/গজ

এখানে, M= পাউন্ডে কাপড়ের ওজন

L = গজে কাপড়ের দৈর্ঘ্য

W= ইঞ্চিতে কাপড়ের বহর

 

কাপড়ের আকৃতিগত পরীক্ষার অনুশীলনী

 

১০। এই পরিমাপের ক্ষেত্রে কীভাবে অ্যালাউন্স বের করা হয়।

উত্তরঃ গ্রন্থ পরিমাপের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত উপায়ে অ্যালাউন্স বের করা সম্ভব-

১। ১৮” বা অধিক গ্রন্থের কাপড়ের ক্ষেত্রে ০.১%

২। ১৮” কম কিন্তু ৪” এর বেশি গ্রন্থের কাপড়ের জন্য ০.০৫%।

৩। ৪ কম গ্রন্থের কাপড়ের ক্ষেত্রে ০.০২”।

 রচনামূলক প্রশ্নাবলি :

১। বিভিন্ন পদ্ধতিতে কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ পদ্ধতি আলোচনা কর।

২। কাপড়ের প্রস্থ পরিমাপ পদ্ধতি বর্ণনা কর।

৩। কাপড়ের একক ক্ষেত্রের ওজন পরিমাপ পদ্ধতি আলোচনা কর।

 

Leave a Comment