কাপড়ের আকৃতিগত বৈশিষ্ট্য

আজকে আমরা কাপড়ের আকৃতিগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা টেক্সটাইল টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ৩ এর কাপড়ের আকৃতিগত পরীক্ষা এর অন্তর্গত।

 

কাপড়ের আকৃতিগত বৈশিষ্ট্য

 

কাপড়ের আকৃতিগত বৈশিষ্ট্য (Dimensional parameters of fabric)

টেক্সটাইল বা কাপড় হচ্ছে একটি নমনীয় উপাদান যা প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম সুতা বা তন্তুর দিয়ে তৈরী হয়। পাঁকিয়ে সুতা তৈরীতে সাধারনত ব্যবহৃত হয় উল, তিসি, তুলা, বা অন্যান্য উপাদান। সেলাই, কাটা, বোনা, বাঁধা ইত্যাদির সাহায্যে কাপড় তৈরী হয়।

বোনা সুতো দিয়ে তৈরী যে কোন বস্তুকে কাপড় বলা হয়। কাপড় কেটে, সেলাই করে, প্রশস্ত করে অন্যান্য গার্মেন্ট পণ্য প্রস্তুত করা হয়। ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে কাপড়ের ভিন্ন ভিন্ন নাম হয়।

কাপড়ের ইংরেজি শব্দ ‘টেক্সটাইল’ এসেছে ল্যাটিন বিশেষণ টেক্সটিলিস, থেকে যার অর্থ ‘বোনা’, টেক্সটাস থেকে যা ক্রিয়া টেক্সেরে’র পাস্ট পার্টিসিপিল যার অর্থ বোনার জন্য।

 

কাপড়ের আকৃতিগত বৈশিষ্ট্য

 

কাপড় প্রস্তুতকরণের সময় সেটা প্রসারিত হওয়া এবং পরিমাপের সময় এতে পানির পরিমাণ (Moisture conten ইত্যাদি বিষয়গুলো কাপড়ের আকৃতিগত বৈশিষ্ট্যের উপর কিছুটা হলেও প্রভাব বিস্তার করে।

 

সেহেতু কাপড়কে পরীক্ষার পূর্বে সম্পূর্ণ রিলাক্স অবস্থায় আদর্শ টেস্টিং আবহাওয়ায় (Standard testing atmosphere) ৬৫ ° ২% আপেক্ষিক আর্দ্রতা এবং ২০° ° ২°C (বা ২৭° ° ২°C) তাপমাত্রায় কন্ডিশনিং করার সুপারিশ করা হয়। আইএসআই (ISI) এর সুপারিশ মতে, একমাত্র উলেন কাপড় পরীক্ষার ক্ষেত্রে আদর্শ আবহাওয়ায় (Standard) atmosphere) পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক।

 

কাপড়ের আকৃতিগত বৈশিষ্ট্য

 

তবে কাপড়ের আকৃতিগত বৈশিষ্ট্যগুলো পরিমাপ করার পূর্বে সবসময় সম্পূর্ণরূপে কাপড়কে কন্ডিশনিং করা সম্ভবপর হয় না। তবে সেক্ষেত্রে দুটি বিকল্প পদ্ধতি সুপারিশ করা হয়। এর একটি হলো ব্রিটিশ স্ট্যান্ডার্ড (British standard) পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে পরীক্ষিত কাপড়কে সম্পূর্ণরূপে কন্ডিশনিং এর পর পরীক্ষাকার্য চালিয়ে যাওয়া হয়। অপরটি হলো আইএসও স্ট্যান্ডার্ড (ISO standard) পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে অতি প্রচলিত আবহাওয়ায় পরীক্ষাকার্য চালিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে ফলাফলে আদর্শ আবহাওয়ায় কন্ডিশনিং করা পরীক্ষার ভিত্তিতে সংশোধনী দেওয়া হয়।

Leave a Comment