নাইলন ৬,৬ আঁশ সম্পর্কে আলোচনা ক্লাসটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের, ভোকেশনাল শিক্ষার,টেক্সটাইল ‘র’ ম্যাটেরিয়ালস- ২ (১৯২১)।
নাইলন ৬,৬ আঁশ সম্পর্কে আলোচনা

নাইলন অত্যাধিক শক্তিশালী,স্থিতিস্থাপক,উজ্জল,এতে যেকোন রঙ দেয়া যেতে পারে,খুব বেশি পানি ধারণ করে না,হালকা কিন্তু শরীরের তাপ ধারণ করতে পারে । নাইলন তৈরির কাঁচামাল দুটি হেক্সামিথিলিন ডাই অ্যামিন ও এডিপিক এসিড । ঘনীভবন বিক্রিয়ার মাধ্যমে এদের পলিমারাইজেশন আরম্ভ হয় । যতক্ষণ না এরা একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে বিশালাকারের অনু সৃষ্টি করবে ততক্ষন বিক্রিয়া সংগঠিত হবে ।
এতে নাইলনের যে লবনটি পাওয়া যাবে তাতে এসিড ও ক্ষারের অনুপাত ১:১ । পরে এই লবণকে নাইট্রেশন করে শুকানো হয় । ফাইবার পেতে এই গলিত পলিমারকে স্পিনিং,ড্রইং ও টেক্সারিং মত টেক্সটাইলিও ধাপ সমুহ পার করতে হবে ।
নাইলন ৬.৬ তৈরির বিক্রিয়া
ডিউ পন্ট কোম্পানী এর রসায়নবিদ ডঃ এইচ কারোথারস নাইলনের প্রথম আবিষ্কারক । ১৯২৮ সালে গবেষনা শুরু করে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ১৯৩৫ সালে নাইলন ৬.৬ পলিমার সফলভাবে নাইলন উদ্ভাবন করেন । এ পলিমারের মিশ্রিত রাসায়নিক পদার্থের প্রতিটি অনুতে ৬টি কার্বনের পরমানু থাকে বলে এ নাইলনকে ৬.৬ পলিমার নামকরন করা হয় । হোসীয়ারী ইয়ার্ন হিসাবে নাইলনের তৈরি পোশাকের কদর বহুলাংশে বেড়ে যায় । পরবর্তীতে ডিউ পন্ট কোম্পানীর দ্বারা নাইলনের পেটেন্ট বিক্রীর পর বিভিন্ন কোম্পানী আরও গুণগত পার্থক্যবিশিষ্ট নিজস্ব পৃথক নাইলন তৈরি করে ।
রাসায়নিকভাবে সবগুলো একই প্রকারের যৌগ থেকে উৎপন্ন হলেও এদের অনুর গঠনে পার্থক্য থাকে, যা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য তৈরিতে সহায়ক ।
